চট্টগ্রাম বিভাগে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা ও উন্নয়নে ব্যাপক তৎপরতায় প্রশংসিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ডক্টর জিয়াউদ্দিন

প্রশাসনিকভাবে চট্টগ্রাম বিভাগ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। বিশেষ করে এই বিভাগে রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা সহ ১১ টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জেলা। চট্টগ্রাম বিভাগের জেলা সমূহ হচ্ছে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার,বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, কুমিল্লা, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া। বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী অস্থিতিশীল পরিবেশে তৎকালীন অন্তবতীকালীন সরকার চট্টগ্রাম বিভাগের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ডক্টর মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিনকে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি অশান্ত পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাগুলোতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সচেষ্ট হন। এছাড়াও বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে খ্যাত চট্টগ্রাম মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় তিনি উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ৫ আগস্ট ২০২৪ পরবর্তী অস্থিতিশীল পরিবেশকে তিনি অত্যান্ত সাহসিকতার সাথে চট্টগ্রাম বিভাগ জুড়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় পুরো বিভাগ জুড়ে তেমন কোন শান্তি শৃঙ্খলার অবনতি হয় নাই। বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ টি জেলায় অত্যান্ত নির্বিঘ্নে এবং সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পিছনে বিভাগীয় কমিশনারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ছিল বলে জানা গেছে। চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলা ১৭ টি ইউনিয়ন এবং দুইটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি সম্মান দেখিয়ে তিনি সরকারের কাছে অবগত করান ফটিকছড়ি উপজেলার উন্নয়নের জন্য কয়েকটি ইউনিয়ন নিয়ে একটি আলাদা ফটিকছড়ি উত্তর নামে উপজেলা প্রতিষ্ঠার জন্য। অন্যদিকে লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলা অত্যন্ত বৃহৎ উপজেলা হওয়ায় এই এলাকার উন্নয়নের জন্য চন্দ্রগঞ্জ নামে একটি আলাদা উপজেলা প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি সরকারকে মতামত দেন। অবশেষে বিপুল ভোটে নির্বাচিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফটিকছড়ি উত্তর ও চন্দ্রগঞ্জ নামে আলাদা দুইটি উপজেলা প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়াও কক্সবাজার ও কুমিল্লা জেলায় প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে এবং এলাকার উন্নয়নের জন্য আরো দুইটি উপজেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের মানুষ মনে করেন বাংলাদেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলে যদি এইরকম বিভাগীয় কমিশনারের মত যোগ্য ও নির্মহ কর্মকর্তা থাকে তাহলে দেশের জনগণের শান্তি ফিরে আসে এবং উন্নয়ন আর অগ্রগতি নিশ্চিত হয়।

.jpg)

.jpg)

