চিকিৎসা বিজ্ঞানী হাকিম হাবিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে বাংলাদেশ ইউনানী আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক ফাউন্ডেশনের বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন

বাংলাদেশ ইউনানী মেডিকেল এসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা, তিব্বিয়া হাবিবিয়া কলেজ ঢাকার প্রতিষ্ঠাতা, জাতীয় জাদুঘরের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সর্বোপরি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা বিশিষ্ট ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানী হাকিম হাবিবুর রহমান খান আখুনজাদার ৭৯ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বাংলাদেশ ইউনানী আয়ুর্বেদি ও হোমিওপ্যাথিক ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন নেতৃবৃন্দ। সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক ডাক্তার মোঃ আবু তোহা যুগ্ম আহ্বায়ক ডাক্তার মোখলেসুর রহমান বাচ্চু, যুগ্ম আহবায়ক হাকিম আশরাফুল ইসলাম লিটন, যুগ্ম আহবায়ক হাকিম সাধন মল্লিক রনি, যুগ্ম আহ্বায়ক ডাক্তার নাসির উদ্দিন, যুগ্ম আহবায়ক হাকিম আব্দুল মতিন ও যুগ্ম আহবায়ক কবিরাজ আনোয়ার হোসেন এক যুক্ত বিবৃতিতে উপমহাদেশের ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্যতম বিজ্ঞানী হাকিম হাবিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, হাকিম হাবিবুর রহমান পশ্চাৎপদ পূর্ববঙ্গে ইউনানী চিকিৎসার প্রচলন করার উদ্দেশ্যে ঢাকার বকশিবাজারে তিব্বিয়া হাবিবিয়া কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন যার মাধ্যমে এই দেশে ইউনানী চিকিৎসার শুরু হয়। তিনি ইউনানী চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রচলনকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ১৯৩১ সালে বাংলাদেশ ইউনানী মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। হাকিম হাবিবুর রহমান একজন ঐতিহাসিক ছিলেন তিনি ঢাকা জাদুঘর প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে অবদান রাখেন। পূর্ববঙ্গে যখন কোন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না তখন ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় তার অবদান ছিল অনস্বীকার্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ও নবাব নওয়াব আলী চৌধুরীর একজন সহযোদ্ধা হিসেবে তিনি পূর্ববঙ্গের উন্নয়নে কাজ করে গেছেন। ২৩ ফেব্রুয়ারি হাকিম হাবিবুর রহমানের ৭৯ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই এবং সরকারের কাছে দাবি জানাই রাষ্ট্রীয়ভাবে হাকিম হাবিবুর রহমানের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালন করার জন্য।





