শহীদ জিয়ার শাসনামূল ছিল গৌরবের ও উন্নয়নের -----মুক্ত চিন্তা বাংলাদেশের সভায় বক্তারা

১৭ জানুয়ারি ২০২৫ জাতীয় প্রেসক্লাবে মুক্ত চিন্তা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জীবনের উপর এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্ত চিন্তা বাংলাদেশের সভাপতি আবুল কাশেম হায়দার। এতে বক্তৃতা করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর মোহাম্মদ কামরুল আহসান, দৈনিক যুগান্তর সম্পাদক কবি আব্দুল হাই শিকদার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক ডক্টর আব্দুল লতিফ মাসুম, বিএনপি নেতা রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী প্রমুখ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যাংকার ডক্টর এটিএম আসলাম ও বাংলাদেশ উন্নয়ন সোসাইটির সভাপতি ডাক্তার আবু তোহা। আলোচনা সভায় কবি আব্দুল হাই সিকদার বলেন, এই উপমহাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইশাখা, নবাব সিরাজউদ্দৌলা, শহীদ তিতুমীর, হাজী শরীয়তুল্লাহ, পীর দুদু মিয়া, নবাব স্যার সলিমুল্লাহ, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ও মাওলানা ভাসানীর অবদান আছে। এরই ধারাবাহিকতায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শুধুমাত্র স্বাধীনতার ঘোষণাই করেন নাই তিনি সরাসরি যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন। মুক্ত চিন্তা বাংলাদেশের সভাপতি আবুল কাশেম হায়দার বলেন, বাংলাদেশ যতদিন থাকবে জিয়াউর রহমানের নাম ততদিন থাকবে। দেশের ১৮ কোটি জনগণের মাঝে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বেঁচে আছেন এবং থাকবেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের যে উন্নয়ন কাজ শুরু করেছিলেন সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছিলেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, সততা ও নিষ্ঠার কারণে বিরোধী লোকেরাও প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সততা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারতেন না। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান যুগ যুগ ধরে স্মরণীয়।




