যশোরে ভেষজ উদ্ভিদের গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার বিষয়ে কৃষি মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশ ইউনানী আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক ফাউন্ডেশন এর মতবিনিময়

বাংলাদেশ সরকারের কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমিন উর রশিদ মহোদয় কে ৫ মার্চ ২৬ বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাংলাদেশ ইউনানী আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। শুভেচ্ছা বিনিময় কালে বাংলাদেশ ইউনানী আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোহাম্মদ আবু তোহা বলেন, বাংলাদেশের দেশীয় ঔষধ শিল্প তথা ইউনানী আয়ুর্বেদিক হোমিওপ্যাথিক ও হারবাল চিকিৎসা পদ্ধতির প্রধান উপাদান ভেষজ উদ্ভিদ তথা আমলকি, হরিতকি, বহেরা, কালো মেঘ, অর্জুন, অশ্বগন্ধা, চিরতা, যষ্টিমধু, নাগেশ্বর, ধাইফুল, স্টেভিয়া, দারুচিনি, মেথি ও পাথরকুচি সহ বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদের ফল- ফুল, ছাল সহ বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার হয়ে থাকে। কিন্তু এ সকল উদ্ভিদের উপরে পর্যাপ্ত গবেষণা না থাকায় দুষ্প্রাপ্য অনেক ঔষধি উদ্ভিদ হারিয়ে যেতে বসেছে। একটি পৃথক গবেষণা ইনস্টিটিউট গঠন করা হলে এ দেশ থেকে ভেষজ উদ্ভিদ দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে। যশোর জেলার কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট অথবা চৌগাছার তুলা উন্নয়ন কেন্দ্রে এটি প্রতিষ্ঠিত করা গেলে আলাদা কোন জমির প্রয়োজন হবে না। বিদ্যমান জমি ও ভবন ব্যবহার করে মেডিসিনাল প্লান্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত করলে সরকারের তেমন কোন খরচ হবে না। পৃথিবীর উন্নত দেশ সহ ভারত ও পাকিস্তানেও মেডিসিনাল প্লান্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট রয়েছে সেখানে উন্নত মানের ভেষজ উদ্ভিদের উপর গবেষণা করা হয় এবং প্রতিবছর সেসব দেশ থেকে প্রচুর পরিমাণে ভেষজ উদ্ভিদ বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হয়। এদিকে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে গত ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মাননীয় কৃষিমন্ত্রী বরাবর মেডিসিনাল প্লান্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার দাবিতে একটি পত্র প্রদান করা হয়। কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনু বিভাগের অতিরিক্ত সচিবের সাথে এটি বাস্তবায়নের বিষয়ে ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোঃ আবু তোহা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন তিনি বিষয়টি নিয়ে সহায়তা করবেন বলে জানান।





